📘 ক) সাইটোকাইনেসিস কাকে বলে?
কোষ বিভাজনের শেষে বিভাজনরত কোষের সাইটোপ্লাজম দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি পৃথক কন্যা কোষ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াকে সাইটোকাইনেসিস বলে।
এটি মাইটোসিস বা মিয়োসিসের শেষ ধাপ।
📘 খ) জেনেটিক কোড বলতে কী বুঝায়?
DNA বা mRNA-এর নিউক্লিওটাইডের ত্রয়ী (কোডন) বিন্যাস যা প্রোটিন সংশ্লেষণের সময় নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম নির্ধারণ করে তাকে জেনেটিক কোড বলে।
এটি জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের রাসায়নিক ভিত্তি এবং প্রায় সব জীবেই একই।
📘 গ) প্রথম ধরণের কোষ বিভাজনের ৪র্থ দশা (অ্যানাফেজ) বর্ণনা
প্রথম ধরণের কোষ বিভাজন = মাইটোসিস
৪র্থ ধাপ = অ্যানাফেজ
বর্ণনা:
-
সেন্ট্রোমিয়ার ভেঙে যায়
-
বোন ক্রোমাটিড আলাদা হয়
-
স্পিন্ডল ফাইবার সংকুচিত হয়ে ক্রোমাটিডকে বিপরীত মেরুতে টেনে নেয়
-
ফলে প্রতিটি মেরুতে সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম জমা হয়
চিত্র (পরীক্ষায় আঁকবে):
দুই পাশে মেরু
মাঝখান থেকে V-shape ক্রোমাটিড টানছে
(লেবেল: spindle fiber, chromatid, pole)
👉 শুধু V-shape টানা ক্রোমাটিড আঁকলেই নম্বর পাবে।
📘 ঘ) পর চরণের কোষ বিভাজনের তাৎপর্য
পর চরণের বিভাজন = মিয়োসিস
তাৎপর্য:
-
জনন কোষ (গ্যামেট) তৈরি করে
-
ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক করে
-
বংশগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে
-
প্রজাতির স্থায়িত্ব বজায় রাখে
-
যৌন প্রজননে সহায়তা করে
✍️ লেখার টিপস (নম্বর পেতে)
-
সংজ্ঞা ১ লাইন
-
৩–৪ পয়েন্ট
-
পরিষ্কার হ্যান্ডরাইটিং
-
অ্যানাফেজে ছোট চিত্র আঁকবে
স্যার নম্বর দেবেন।
🔥 শেষ দ্রুত রিভিশন
মুখে বলো এখনই:
-
সাইটোকাইনেসিস = সাইটোপ্লাজম বিভাজন
-
জেনেটিক কোড = কোডন → অ্যামিনো অ্যাসিড
-
অ্যানাফেজ = ক্রোমাটিড আলাদা
-
মিয়োসিস = অর্ধেক ক্রোমোজোম

0 comments: